InternationalUncategorizedভারত

হঠাৎ ৫৩ বছর পর চীন-ভারতের মাঝে যুদ্ধের দামামা কেন?

Story Highlights
  • লাদাখ ইস্যুতে নূন্যতম ছাড় দিতে রাজি নয় চীন।
  • চীনা পণ্য বর্জনের ডাক ভারতের সাধারণ জনগণের।
  • চীন ভারতের ২৩ জন সেনা সদস্যকে নিহত করেছে এবং চীনের এক কমান্ডার নিহত হয়েছে।

লাদাখে চীনের সাথে সংঘাতে সেনা নিহতের প্রতিবাদের ক্ষোপে জ্বলছে ভারত। পালিত হয় চীন দূতাবাস ঘেরাও কর্মসূচি।

এ সময় সেনা নিহতের ঘটনার উচিত জবাব দেয়ার পাশাপাশি চীনা পণ্য বর্জনের ডাক দেয়া হয়।

চীনের সাথে ভারতের সীমানা প্রায় ৪ হাজার কিলোমিটার। দীর্ঘ ৫৩ বছর বাক যুদ্ধ বা সামরিক শোডাউন চললেও তা কখনোই প্রাণঘাতী লড়াই পর্যন্ত যায়নি।

তবে গত সোমবার সংঘাতের পর পাল্টে গেছে পুরো পরিস্থিতি।

হটাৎ করে কেন উত্যক্ত হয়ে উঠলো চীন-ভারত সীমান্ত তা নিয়ে দেখা দিয়েছে নানা প্রশ্ন।

বিশ্লেষকরা বলছেন লাদাখে নূন্যতম ছাড় দিতে রাজি নয় চীন।

চীন-ভারত সীমান্তে আগে কখনো দুপক্ষে এমন সংঘাত দেখা যায়নি। হটাৎ করেই এই এলাকা নিয়ে চীন কেন আগ্রাসী হয়ে উঠলো তা ভেবে দেখতে হবে। নিশ্চই এই এলাকা ঘিরে তাদের কোনো পরিকল্পনা রয়েছে। তাই কোনো ভাবেই ছাড় দিতে নারাজ চীন। আর এ কারণেই তারা আগ্রাসী হয়ে উঠেছে।

ভারতের সামরিক বিশ্লেষক মনোজ জোশি

রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মত, আলোচিত অর্থনৈতিক প্রকল্প ওয়ান বেল্ট ওয়ান রোড বাস্তবায়নে লাদাখের নিয়ন্ত্রণ রাখতে বদ্ধ পরিকট চীন।

সেই সাথে গেলো বছর বিশেষ রাজ্য মর্যাদা বাতিলের পর কাশ্মীরে কড়াকড়ি আরোপ করে ভারতের কেন্দ্রীয় সরকার।

ওই ঘটনাকে কেন্দ্র করে লাদাখ নিয়ে বাড়তি সতর্কতা চীনের।

কাশ্মীর ইস্যুতে ভারত যে অবস্থান নিয়েছে সেটা দেখেই লাদাখ নিয়ে সতর্ক চীন। কারণ ওয়ান বেল্ট ওয়ান রোড প্রকল্পের জন্য লাদাখের এই অংশটি গুরুত্বপূর্ণ। এলাকাটি চীনের জন্য খুবই সংবেদনশীল হওয়ায় কোনো ছাড় দিতে রাজি নয় বেইজিং। এই বার্তায় তারা দিতে চেয়েছে দিল্লিকে।

চীনের রাজনৈতিক বিশ্লেষক ইনার ট্যাংগেন

তবে পরমাণু শক্তিধর দুই দেশের মধ্যে চলমান সংকট সমাধানে আলোচনাকে সবচেয়ে গুরুত্ব দিচ্ছেন বিশ্লেষকরা।

Tags
Show More

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button
Close
Close