Bangladeshজাতীয়

ঢাকা-চট্রগ্রাম-গাজীপুর-নারায়ণগঞ্জে ব্যাপক ভাবে লকডাউন শুরু হতে যাচ্ছে

Story Highlights
  • এবার দরকার হতে পারে সামগ্ৰীক লকডাউন, প্রয়োজনে কারফিউ।
  • প্রথম ধাপে ৬৬ দিন সাধারণ ছুটিতে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা ছিল ৪৪,৬৮ জন। এবং সাধারণ ছুটি ওঠে যাওয়ার পর গত ১৫ দিনেই আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৫২,৯১২ জনে।
  • বাংলাদেশ ৬৬ দিনের সাধারণ ছুটিতে নিয়ন্ত্রণ তো করতেই পারেনি উল্টো প্রতিদিন প্রায় তিন হাজার কোটি টাকা লোকসান গুনেছে।

দেশের ভাইরাস বিশেষজ্ঞ এবং জনস্বাস্থ বিশ্লেষকরা বলছেন, করোনার বিস্তার রোধে গত তিন মাসে বাংলাদেশের নেয়া পদক্ষেপ সফলভাবে বাস্তবায়ন হয়নি বলেই বেড়ে চলেছে সংক্রমণ ও মৃত্যুর মিছিল।

তাই এবার দরকার সামগ্ৰীক লকডাউন, প্রয়োজনে কারফিউ।

জনস্বাস্থ বিদদের আশা যদি যথাযথ ভাবে জোন ভিত্তিক লকডাউন মানা হয় তবে জুনের শেষে কমতে পারে এই ভাইরাসের সংক্রমণ।

সাধারণ ছুটি শেষের ১৫ দিন পর এবার লকডাউনে গেলো বাংলাদেশ। যে সব এলাকায় আক্রান্তের সংখ্যা বেশি সেই রেড জোন গুলোতেই শুরু হচ্ছে লকডাউন।

এর ফলে জীবন যাত্রা যেমন বদলে যাবে তেমনি চ্যালেঞ্জের মখে পড়বে দেশের অর্থনীতি।

বিশ্লেষকরা বলছেন এখন জীবন বাঁচাতে হবে সবার আগে।

এই রকম জোন ভিত্তিক লকডাউন হয়তো চালু থাকবে। এর মধ্যে যদি কোথাও সংক্রমনের সংখ্যা কমে যাই তাহলে সেখানে হয়তো দীর্ঘ সময় লকডাউন করে রাখতে হবে না।

প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. আলমগীর হোসেন।

প্রথম ধাপে ৬৬ দিন সাধারণ ছুটিতে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা ছিল ৪৪,৬৮ জন।
এবং সাধারণ ছুটি ওঠে যাওয়ার পর গত ১৫ দিনেই আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৫২,৯১২ জনে।

যদিও বিশ্ব স্বাস্থ সংস্থা বরাবরই নিষেধ করেছিল সাধারণ জীবনে না ফিরতে।

এখন সাধারণ জনগণকে মানতে হবে স্বাস্থ্যবিধি এবং আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে হতে হবে কঠোর।

সাধারণ ছুটির সময় সামাজিক দূরত্ব বাড়ানো যায়নি বলেই সংক্রমণ বেড়েছে। তবে এবার সেই ভুল আর করা যাবে না।

শুসমন্বিত পদ্ধতিতে আমরা করোনার বিরুদ্ধে দাঁড়াতে পারিনি। কিন্তু এখনো সময় রয়েছে কঠোর নিয়ন মেনে স্বাভাবিক জীবনে ফিরে আসার।

জনস্বাস্থ বিশেষজ্ঞ ড. লেলিন চৌধুরী

বিশ্বের অন্যান্য দেশের দিকে তাকালে দেখা যাই ইতালি, নিউজিল্যান্ড কঠোর লকডাউনে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এনেছে।

এশিয়ার দেশ ভিয়েতনাম ও শ্রীলংকা বিদেশ থেকে আসা প্রায় শত ভাগ ব্যাক্তির কোয়ারেন্টাইন নিশ্চিত করে সমস্যার সমাধান করেছে।

কিন্তু বাংলাদেশ ৬৬ দিনের সাধারণ ছুটিতে নিয়ন্ত্রণ তো করতেই পারেনি উল্টো প্রতিদিন প্রায় তিন হাজার কোটি টাকা লোকসান গুনেছে।

সংক্রমণের সংখ্যা কমবে বলে আশা দিয়ে জানিয়েছেন অধ্যাপক ড. মোঃ আনোয়ার হুসাইন,
এই জুন মাসটা আমাদের এভাবেই চলতে থাকবে। তবে জুলাইয়ের প্রথম সপ্তাহ অথবা দ্বিতীয় সপ্তাহ থেকে আমরা নতুন সংক্রমণের সংখ্যা নেমে আসবে সেটা দেখতে পারবো।

আমরা এখন যে পর্যায়ে আছি এটিই হয়তো আমাদের সর্বোচ্চ সংক্রমণ। এবং এর পরে হয়তো আগামী সপ্তাহ থেকে রুগীর সংখ্যা কমতে শুরু করবে।

প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. আলমগীর হোসেন।

চতুর্থ ধাপের শেষ পর্যায়ে পরীক্ষা শুধু নয় ব্যাপক ভাবে হাসপাতালে ভর্তি করে সেবা দেয়ার প্রয়োজন পড়বে বলে মনে করেন চিকিৎসা বিশেষজ্ঞরা।

সেই প্রস্তুতি নিতে হবে দ্রুত। আর এই মুহূর্তে ব্যাক্তিগত সুরক্ষাকে সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দিচ্ছেন জনস্বাস্থ বিশারদরা।

Tags
Show More

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button
Close
Close